প্রচ্ছদ, ব্লগ, রাজনীতি

মির্জা ফখরুল সহ ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল, কি প্রস্তাব দিবে ইসিকে ?

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংলাপে যোগ দেবে বিএনপির পক্ষ থেকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল আগামী ১৫ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনে সংলাপে যাবেন। সংলাপের আলোচনা বিষয়বস্তু খসড়া তৈরি হচ্ছে বলেও জানা যায়।

 

মির্জা ফখরুল সহ ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল, কি প্রস্তাব দিবে ইসিকে ?

 

 

 

জানা যায়, নির্বাচনের সাত দিন আগে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন চায় বিএনপি। দলটির মতে, নির্বাচনী ফলাফলের গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবে। এ ছাড়া নির্বাচনকালে সংসদ ভেঙে দেওয়া, বিতর্কিত ইভিএম পদ্ধতি না রাখা, ২০০৮ সালের আগের সীমানা নির্ধারণ কার্যকর করাসহ একগুচ্ছ প্রস্তাব তৈরি করছে বিএনপি।

প্রস্তাবনায় প্রশাসনের সর্বস্তরে রদবদলে ইসির কার্যকর ভূমিকাও চায় দলটি। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশে (আরপিও) ‘ল ইনফোর্সিং এজেন্সি’ হিসেবে সেনাবাহিনীকে যুক্ত করাসহ একাধিক বিষয়ে সংশোধনীর প্রস্তাবও থাকবে বলে দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা মনে করি, আওয়ামী লীগের অধীনে কখনই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তবে আমাদের পথ বের করতে হবে। পথ বের করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যাব।

তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের এ সংলাপ শুধুই লোক দেখানো। ইতিমধ্যেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ—এটা শুধুই সংলাপ। তারা (ইসি) বলবেন আর শুনবেন। ভোটে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টিও ইসির সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। সিইসির এ বক্তব্যেই প্রমাণ করে, তারা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে যাবেন না।

অতএব, সরকারের সুবিধা অনুযায়ী ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন কমিশন আরেকটা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এক্ষেত্রে এ কমিশনের কাছে বিএনপির তেমন কোনো প্রত্যাশা নেই। তাই নিয়ম রক্ষার্থে নির্বাচন কমিশনের আমন্ত্রণে সংলাপে অংশ নিচ্ছে বিএনপি বলে জানা যায়।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে ইসি সংলাপ শুরু করে গত ৩১ জুলাই। প্রথম সংলাপ করে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে। এরপর গত ২৪ আগস্ট থেকে শুরু হয় রাজনৈতিক দলের সাথে সংলাপ। ১৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সাথে সংলাপের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলের সংলাপ শেষ হবে। এছাড়াও নারী সংগঠন, পর্যবেক্ষণ সংস্থা ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনার মধ্য দিয়ে সংলাপ শেষ করবে ইসি।

 

This News Translating For Foreigner Bangladeshi or Who Want To Know About Bangladeshi Political New.

 

The 10-member delegation led by its secretary general Mirza Fakhrul Islam Alamgir will go to the Election Commission on Oct 15 to join the dialogue with the Election Commission (EC). It is also known that discussion of dialogue is being drafted.

It is known that BNP wants to deploy army with judicial powers seven days before the election. According to the team, they will be in the field until the results of the election results are published. Besides, the opposition BNP has been creating a number of proposals including breaking the parliament during the election, not keeping the controversial EVM system effective, and implementing the boundaries before 2008.

In the proposal, the party also wants to play an effective role in the administration of the EC. According to the party’s reliable sources, there will be a proposal for amendment in more than one case, including the addition of the army as the ‘law enforcement agency’ in the Representation Ordinance (RPO).

BNP secretary general Mirza Fakhrul Islam Alamgir said, “We think that there will be no fair election under Awami League.” But we have to find out the way. We’re trying our best to find the way. At last I will try.

They said that this dialogue of the Election Commission is only visible to the people. Already the Chief Election Commissioner (CEC) said that fair elections are possible under the present government. EC dialogue with political parties – this is just dialogue They (EC) will say and listen. The issue of deployment of the army will also depend on the EC’s decision. The CEC’s statement proves that they will not go beyond the ruling Awami League government’s decision.

Therefore, according to the government’s convenience, the Election Commission is preparing for another election as on January 5, 2014. In this case, there is no expectation of BNP in this commission. Therefore, BNP is known to take part in the dialogue on the invitation of the Election Commission to protect the rules.

In the meantime, on July 31, the EC started dialogue with stakeholders including the political parties, on the eleventh parliamentary elections. First dialogue with civil society representatives Then began on August 24 with dialogue with the political party. On 18 October, the dialogue of the political party will end with the dialogue with Awami League. The EC will also end the dialogue with women organizations, monitoring agencies and election experts.

Share this Story
Load More Related Articles
Load More In প্রচ্ছদ

Facebook Comments

Check Also

BNP Latest News Bangladesh : নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই এবারের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে – বেগম জিয়া

BNP Latest News Bangladesh : নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই ...

Like Us Facebook

6LdSXTIUAAAAACOI9d19qd6d7Cl5FnXpX6TuNvZS