প্রচ্ছদ, ব্লগ, রাজনীতি

BNP Latest News Bangladesh : নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই এবারের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে – বেগম জিয়া

BNP Latest News Bangladesh : নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই এবারের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে – বেগম জিয়া

 

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি আয়োজিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০১৭’ উপলক্ষে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে’ জনসভায় বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই কথা বলেন।

 

 

বিকাল তিনটার মধ্যেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মাঠ ও তার চারপাশে নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। জনসভাটি জনসমুদ্রে রূপ নেয়। উদ্যানের মাঠ পেরিয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মূল ফটকের সামনে, সেগুনবাগিচা, প্রেসক্লাব, মৎস্যভবন থেকে শাহবাগ সড়কেও জনস্রোত গিয়ে পৌঁছায়। এছাড়া রমনা পার্কসহ গোটা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় জনতার ঢল নামে।

রোববার সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত পোস্টার হাতে নিয়ে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসে।

বেগম খালেদা জিয়া মঞ্চে উঠেন বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে। মুহুর্মুহু করতালির মধ্যে মঞ্চে উঠে অফ হোয়াইট রঙে শাড়ি পরিহিতা বিএনপি চেয়ারপার্সন হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের অভিবাদনের জবাব দেন। মঞ্চের টানানো ব্যানারে জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবির পাশেই বড় অক্ষরে লেখা আছে- ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে জনসভা।’

এর আগে রবিবার বেলা পৌনে ২টায় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আউয়াল খানের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে এই জনসভার কার্যক্রম শুরু হয়। এই জনসভায় বেলা ৪টা ১০ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে বেলা ২টা ১৫ মিনিটে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে জনসভায় যোগ দেয়ার উদ্দেশে বের হন তিনি। এক ঘন্টার বক্তব্যে দেশের বর্তমান অবস্থা, সরকারের দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলার অবস্থা, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা, রোহিঙ্গা সমস্যা এবং আগামী নির্বাচন নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া কথা বলেন।

BNP Latest News Bangladesh কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না :

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আজ ঘরে ঘরে কান্নার আহাজারি। এই সরকারের হাত থেকে মানুষ মুক্তি চায়, পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তন হতে হবে ভোটের মাধ্যমে। সেজন্য মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

এজন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে।

যেই নির্বাচনে মানুষ নির্দ্বিধায় ভোট দিতে যাবে এবং তাদের ভোট তারা যাকে পছন্দ তাকে দেবে।

সেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে তারা কি ধরনের চুরি করেছে সবাই দেখেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন, পেশাজীবীদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার, চিকিৎসক, শিক্ষকের ভোটে তারা একই কাজ করেছে। চুরি করে জনগণকে পাশ কাটিয়ে নির্বাচনে জয়লাভে কোনো আনন্দ নেই। এরপরও তারা নিজেদেরকে বিজয়ী দাবি করে। কারণ তারা জনগণকে ভয় পায়। আপনারা যদি জনগণের পাল বোঝেন যে তারা কি চাচ্ছে। জনগণ চাচ্ছে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন।

কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে না। নির্বাচন দিয়ে আপনাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন। এ সময় ক্ষমতাসীনদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিএনপি প্রধান বলেন, মাঠে আপনারাও যাবেন, আমরাও যাবো। চ্যালেঞ্জ করছি একটি জায়গায় আপনারা সভা করেন আমরাও করছি দেখি কাদের কতো লোক আছে। জনগণই আমাদের শক্তি। তাদের নিয়ে আমাদের পথচলা।

আওয়ামী লীগকে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, দেশের এতো ক্ষতি করেছেন। সম্পদ লুট করেছেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাঝে মধ্যে সত্য কথা বলেন। পিঠ বাঁচানোর জন্য ক্ষমতায় থাকতে হবে বলে যা ভাবছেন তা হবে না।

আমরা সহিংসতার রাজনীতি করি না। তবে আপনাদের শুদ্ধ করবো। যে খারাপ কাজ করেছেন তা বাদ দিয়ে আপনাদের সত্যিকার অর্থে মানুষ বানাবো।

BNP Latest News Bangladesh সেনা মোতায়েন করতে হবে, ইভিএম হবে না : 

বিএনপি জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে চায় জানিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই যাতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোট নিজেরা দিতে পারে, সেজন্যই আমরা বলেছি নির্বাচন কমিশনে আমাদের কিছু কথা ইসির সংস্কারের জন্য দিয়ে এসেছি। বলেছি যদি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হয় তাহলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

আজকে নির্বাচন কমিশনকে বলি, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনা মোতায়েন করতে হবে, ইভিএম হবে না।

কারণ আওয়ামী নেতাদের হাতে হাতে অস্ত্র। তাই সেনা মোতায়েন ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

ইসিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি সরকারের অন্যায় আদেশ মানতে পারেন না। নির্বাচন কমিশনারদের বলতে চাই, অবাধ নির্বাচন করার দায়িত্ব আপনাদের। ইভিএম বন্ধ করতে হবে। সেনা মোতায়েন করতে হবে।

নির্দলীয় সরকারের ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশ বাহিনীও থাকবে, এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

হাসিনার গুন্ডাবাহিনীর হাতে অবৈধ অস্ত্র। তারা মানুষকে খুন করছে।

সেনা না দিলে হাসিনার গুন্ডা বাহিনী কেন্দ্র দখল করে অত্যাচার চালাবে।

এদেশের মানুষ ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে পরিবর্তনের জন্য ধানের শীষে ভোট দিয়ে দেখিয়ে দেবে যে জিয়াউর রহমানকে ভুলেনি। তিনি আছেন মানুষের মনে।

 

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ছিলো আ’লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর। তার জন্য তারা কতোদিন হরতাল করেছে, ১৭৩ দিন। রাস্তাঘাট বন্ধ রেখেছে। হরতালের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। এমনি ইট দিয়ে পুলিশের মাথা থেঁতলে দিয়েছে। অফিসগামী বয়স্ক লোককে তারা দিগম্বর করেছে। এগুলো আওয়ামী লীগের চরিত্র। তারা তত্ত্বাবধায়কের দাবির জন্য সমুদ্রবন্দর দিনের পর দিন বন্ধ রেখেছে। বাসে আগুন দেয় আওয়ামী লীগ। যাত্রীবাহী বাসে গানপাউডার দিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে আওয়ামী লীগ। এদের অপকীর্তির শেষ নাই। তাই আপনাদের বলবো নিরপেক্ষ একটা নির্বাচন দিয়ে দেশের মানুষ কি চায় সেটা যাচাই করুন।

২০১৪ সালে কোনো নির্বাচন হয় নাই। তাহলে কি করে এই সরকার বৈধ সরকার। তাই সরকার ও সংসদ অবৈধ। এই সংসদে কোনো বিরোধী দল আছে? এ সময় সমস্বরে সবাই বলে না। যে বিরোধী দল তাদের মন্ত্রীরা সরকারেও আছে বিরোধী দলেও আছে। সুতরাং কোনো বিরোধী দল নাই। ইভিএম চলবে না। সেনা মোতায়েন করতে হবে। শুধু মোতায়েন করলে হবে না, সেনা টহল যাতে হয় সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

 

BNP Latest News Bangladesh এজেন্সির লোক দিয়ে পদত্যাগপত্র নিয়ে আসা হয় :

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আজকে দেশে বিচার বলে কিছু নাই। বিচার বিভাগ বলতে কিছু নাই। প্রধান বিচারপতিকে পর্যন্ত জোর করে অসুস্থ বানিয়ে জোর করে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিদেশে এজেন্সির লোক পাঠিয়ে তাকে চাপ দিয়ে পদত্যাগপত্র নিয়ে আসা হয়। তিনি চেয়েছিলেন দেশে ফিরে আসতে। কিন্তু তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। তিনি কিছু সত্য কথা বলেছেন। তারা নিম্ন আদালতকে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, এখন উচ্চ আদালতকে নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়।

BNP Latest News Bangladesh যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে চাকরির পদোন্নতি হবে : 

সরকারি চাকরিজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই সরকার হয়তো আপনাদের বলে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আপনাদের চাকরি যাবে, মামলা হয়রানির শিকার হতে হবে। কিন্তু না। আমরা আগেই বলেছি আমার হিংসাত্মক রাজনীতি করি না। সরকারি আদেশ নিষেধ মেনে চলাই আপনাদের দায়িত্ব। আমরা দেখবো সরকারি চাকরিতে কে কতটা যোগ্য। সেখানে বিএনপি বা আওয়ামী লীগ বলতে কিছু নেই। যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে তাদের চাকরির পদোন্নতি হবে। আপনারা নির্দ্বিধায় কাজ করতে পারেন।

 

BNP Latest News Bangladesh জনসভায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে : 

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ৭ নভেম্বর আমরা সমাবেশ করতে চেয়েছিলাম, তারা দেয়নি। জনসভার অনুমতি তারা দিয়েছে কিন্তু জনসভা যাতে সফল না হয়, জনগণ যাতে আসতে না পারে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। মানুষকে অনেক কষ্ট করে আসতে হয়েছে। বাড়ি বাড়ি ও হোটেলগুলোতে তল্লাশি করা হয়েছে। পাবলিক যানবাহন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শুধু কী তাই, আমিও যাতে আপনাদের সামনে এসে পৌঁছাতে না পারি আমার বাসা থেকে বের হয়ে গুলশান পার হতে বাস দিয়ে রাস্তা আটকে রাখা হয়েছে। এরা যে কতো ছোট মনের মানুষ আবার প্রমাণ করলো। এতো ছোট মন নিয়ে রাজনীতি করা যায় না।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনতে ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতা কাজ করেছে। এজন্য আওয়ামী লীগ এই দিনকে ভয় পায়। জনগণকে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে ভয় পায়। সেজন্যই তারা আমাদেরকে কোথাও জনসভা করতে দেয় না। বিভিন্ন জায়গায় বাধা সৃষ্টি করে। ছেলেদের হয়রানি করছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলখানায় বন্দি করছে। আমাদের রাজনীতি হলো জাতীয় ঐক্যের। বহুদলীয় গণতন্ত্র ও মতের পার্থক্য থাকবে কিন্তু জনগণের স্বার্থে এক হতে হবে। তাহলেই দেশের জনগণের কল্যাণ উন্নতি করা সম্ভব। এরা ক্ষমতায় থেকে জনগণকে যেমন ভয় পাচ্ছে তেমনি বিএনপির মতো বড় দলকে ভয় পায়। বিএনপি সম্পর্কে তারা বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করে, আমরা মন্তব্য করলে তাদের ধরে নিয়ে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করে। এরা গণতন্ত্রে ভয় পায়, মানুষকে ভয় পায়, সেজন্য বাকশাল কায়েম করেছিলো।

এখন অঘোষিতভাবে বাকশালকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। জনগণের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। যেই এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে যায় তাকে উঠিয়ে নেবে, না হয় মামলা দিয়ে হয়রানি করা হবে। গত দশটি বছর ধরে কতো জুলুম অত্যাচার করেছে তার হিসাব নাই। আমি বলেছি তাদের ক্ষমা করে দেবো। কিন্তু জনগণ জানে কতো অবিচার তাদের সঙ্গে করেছে। আমরা দেশে রাজনীতির সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চাই। তার জন্য প্রয়োজন দেশে গণতন্ত্র, বহু মতের মানুষকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যতক্ষণ এগুলো প্রতিষ্ঠা করা না যাবে সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা যাবে না।

BNP Latest News Bangladesh ১০ টাকার চাল এখন ৭০ টাকা : 

জনসভায় তিনি বলেন, এই সরকার এ দেশকে শেষ করে দিয়েছে। এই সরকার ২০০৮ সালে কথা দিয়েছিলো ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে। আজ ৭০ টাকা কেজিতে মানুষ চাল খাচ্ছে কেন জনগণ জবাব চায়, জানতে চায়। প্রতি কেজি সবজি তরি-তরকারির দাম ৭০-৮০ টাকার নিচে নয়। পেঁয়াজ ১শ টাকা। প্রতিটি জিনিসপত্রের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এই অবস্থায় আবার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে। জনগণের জীবন আজ দুর্বিষহ। তারা কথা দিয়েছিলো বিনামূল্যে সার দেবে। বিনামূল্যে সার তো দেয়-ই না, বিএনপির আমলের চেয়ে ৫ গুণ বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে। কৃষকরা আজ মহাদুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। কৃষি উপকরণ পাচ্ছে না। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে চাল ধান কিনছে না। তাদের টাউট-বাটপাররা কৃষকদের কাছ থেকে ধান-চাল কিনছে। শ্রমিকদেরও একই অবস্থা। তাদের ওপরও নির্যাতন হচ্ছে। বেতনভাতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন কিন্তু তারা করছে না। ক্ষমতায় গেলে ঘরে ঘরে চাকরি দেয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু চাকরি দেয় নাই। এ সময় ভুয়া ভুয়া সমস্বরে স্লোগান ধরেন সমাবেশে আগতরা। চাকরি না দিয়ে ঘরে ঘরে বেকার সৃষ্টি করেছে।

BNP Latest News Bangladesh উন্নয়নের নামে লুটপাট চলছে :

উন্নয়নের নামে লুটপাট চলছে বলে মন্তব্য করে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, সরকার কথায় কথায় উন্নয়নের কথা বলে। উন্নয়নের নামে লুটপাট চলছে। ইউরোপ আমেরিকার চেয়ে রাস্তায় ব্রিজ বানানোয় চারগুণ বেশি ব্যয় হচ্ছে। চলছে নানারকম ধাপ্পাবাজি। বিদ্যুতের দাম তো বাড়ানো হচ্ছে কিন্তু মানুষ বিদ্যুৎ পায় না। গুলশানের মতো জায়গায়ও বিদ্যুৎ আসে-যায়। কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট করা হলো। তাহলে মানুষ বিদ্যুৎ পায় না কেন। কুইক রেন্টালের যন্ত্রপাতি পুরানো জিনিস এনেছে, সেজন্য বন্ধ হয় আবার চলে। পদে পদে ধোঁকাবাজি। দীর্ঘদিন ধরে এই ধোঁকাবাজি অত্যাচার নির্যাতন চলতে পারে না।

সরকার শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া নেই, আছে বিশৃঙ্খলা। ছাত্রলীগের মাস্তানি। তারা শিক্ষকের গায়ে হাত তোলে, নারীদের নির্যাতন অত্যাচার করছে নানাভাবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বেড়েছে। কখনো শুনি বাসে ট্রাকে মেয়েদের ওপর অত্যাচার। আওয়ামী লীগ বিভিন্ন অনৈতিক কাজ আমদানি করছে।

আওয়ামী লীগকে গুম-খুনের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। দেশি বিদেশিরা বলছে কতগুলো গুম-খুন হয়েছে তারা জানে। বিএনপির কত নেতাকর্মী গুম-খুন হয়েছে তাদের খুঁজে পাইনি। বিএনপি করে বলেই তাদের অপরাধ। সেজন্য তাদেরকে গুম ও খুন করা হয়েছে। সেজন্য জনগণের ঐক্যও হচ্ছে বড় ঐক্য। যারা আপনাদের মঙ্গল চায় সেজন্য তাদের পেছনে আপনাদের ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

এক বছরে সুইস ব্যাংকে সাড়ে চার লাখ কোটি টাকার বেশি জমা হয়েছে
এ সময় শেয়ারবাজার ধ্বংসের প্রসঙ্গে তুলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আসলেই শেয়ার বাজার লুট হয়। এর আগে কখনো শুনিনি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের মানুষের টাকা আছে। আওয়ামী লীগ আসার পর ওই ব্যাংকে টাকা পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিরা। মানুষের রক্ত চুষে টাকা চুরি করে বিদেশে পাঠিয়েছে। গত এক বছরে সুইস ব্যাংকে সাড়ে চার লাখ কোটি টাকার বেশি বিদেশে পাচার হয়েছে। এটা আমাদের হিসাব নয়, আমেরিকাভিত্তিক একটি কোম্পানির হিসাব। এই টাকা পাচার করেছে তারা, যারা ক্ষমতায় আছে। আওয়ামী লীগ। প্রতি পদে পদে দুর্নীতি। পাচার করা বিপুল অংকের টাকার খবর পানামা পেপারসে এসেছে। এই কেলেঙ্কারি নিয়ে দুদক কিন্তু কোনো মামলা বা কোনো তদন্ত করেনি। অথচ দুদক পড়ে আছে আমাদের পেছনে। যার সঙ্গে আমাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, তার পেছনে লেগে আছে। একটি বেসরকারি সংস্থার হিসাব মতে, গত সাত বছরে ব্যাংক থেকে চুরি হয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা। এসব খাতের দুর্নীতির সঙ্গে কারা জড়িত মানুষ তা জানে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮শ’ কোটি টাকা কারসাজি করে পাচার করা হয়েছে। কিন্তু এগুলো নিয়ে কোনো তদন্ত হয় না। কাউকে ধরা হয়নি। এগুলো তো আওয়ামী লীগের টাকা নয় জনগণের টাকা। জনগণের টাকা এভাবে পাচার হচ্ছে অথচ তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এদেশের মানুষ বাঁচলো বা কি করলো তাদের কোনো মাথা ব্যথা নেই।

BNP Latest News Bangladesh আমরা জবাবদিহিতামূলক সংসদ চাই : 

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আমরা চাই জবাবদিহিতামূলক সংসদ। এজন্য অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তা সম্ভব। একটা নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে তা হতে পারে। আমি আপনাদের কাছে জিজ্ঞাসা করতে চাই হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে? হবে না। আপনারা ভোট দিতে পারবেন? এ সময় সমস্বরে উপস্থিত জনতা না বলে সায় দেন। তারা সবাইকে বের করে দিয়ে একচেটিয়া ভোট নেবে। দেশের মানুষের জন্য কিছু কাজ করতে চাই। সংঘর্ষের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। তারা এই জনসভাকে ভন্ডুল করতে চেয়েছে। এরপরও আজ নীরবে আমরা এই সভাতে উপস্থিত হয়েছি। আমরা রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে চাই। জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি করতে চাই। আলাপ আলোচনা ছাড়া তা সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার অবৈধ, এ সংসদ অবৈধ। ১৫৪ এমপি বিনাভোটে নির্বাচিত, বাকিরাও ভোট পেয়েছে মাত্র শতকরা ৫ ভাগ। সংসদে বিরোধীদলের নেতা রওশন এরশাদ। এ কেমন বিরোধী দল সরকারেও আছে, মন্ত্রীও বানানো হয়েছে বিরোধী দল থেকে। আমরা জবাবদিহিতামূলক সংসদ দেখতে চাই। সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলে আলোচনা করে কোনো সমস্যা হলে সমাধান করবে।

 

BNP Latest News Bangladesh রোহিঙ্গারা যাতে নির্ভয়ে বার্মায় থাকতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে : 

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যেমন আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা রোহিঙ্গা সমস্যা। এটি শুধু অবৈধ ভোটারবিহীন সরকারের সমস্যা নয়। তাই একসাথে বসে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি আহ্বান, যাতে রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে ফিরে নির্ভয়ে সেখানে থাকতে পারবে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ তারা সে দেশের নাগরিক। বাংলাদেশের নাগরিক নয়। আমরা মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছি। কিন্তু দীর্ঘদিন রাখা সম্ভব নয়। প্রতিটি বড় দেশ আমেরিকা ব্রিটেন, ইন্ডিয়া চীনের প্রতি আহ্বান, আপনারা সেই ব্যবস্থা করবেন। অন্যথায় তাদের ওপর কয়দিন পর পর অত্যাচার চালানো হয় এবং বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এর আগেও দুবার তারা এসেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আমার আমলে এসেছিল। তখন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা বলে তাদের ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।

 

BNP Latest News Bangladesh ভিশন ২০৩০ : 

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, যারা এক বছরের বেশি বেকার থাকবে তাদের জন্য বেকার ভাতা চালু করা হবে। সকল ছাত্রছাত্রীর জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়ালেখার সুযোগ দেয়া হবে। মেয়েদের উপবৃত্তি দেওয়া হবে। সবার জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। সবার জন্য পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য বীমা চালু করা হবে। সব শিক্ষিত ছেলেদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির ব্যবস্থা করবো। কৃষকদের কৃষি উপকরণ কম দামে দেবো, ভর্তুকি দেবো। কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করবো। তারা যে দামে ফসল উৎপাদন করবে সরকার তার চেয়ে বেশি দামে পণ্য কিনে নেবে। গ্রামে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে গ্রামের মানুষ শহরমুখী না হয়।

বিএনপি ক্ষমতা আসলে অনেক মানুষ মেরে ফেলবে বলে ক্ষমতাসীনদের বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি মানুষ মারার রাজনীতি করে না। মানুষ মারার রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ। এই দেশ অচল হয়ে গেছে। দেশে কোনো কিছু চলছে না। গণমাধ্যমে এসেছে রূপগঞ্জে সরকারি অফিসগুলো দুই ঘন্টা চলে। আজকে সরকার বলে কিছু নাই। কাজেই এখন আজকে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা মনে করি, এ দেশের ছাত্র-যুবকরা যারা আছে তাদের দেশের জন্য কাজ করা। কেউ এসে দেশ গড়ে দেবে না। আমাদেরকেই গড়তে হবে।

এক-এগারোর সময়ে নির্যাতনের কথা স্মরণ করে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, ফকরুদ্দীন-মইনুদ্দিন চেয়েছিলো আমাকে সপরিবারে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে। আমি বলেছি বিদেশে আমার কোনো ঠিকানা নেই। এদেশের মানুষই আমার ঠিকানা। এরপর আমার ছেলেদের নির্যাতন করেছে। এক ছেলেকে পঙ্গু করেছে। আরেক ছেলেকে হারিয়েছি। এ সময় কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। নিজেকে সামলে আবারও বক্তব্য রাখা শুরু করেন বিএনপি প্রধান। তারা বলেছে আমি নাকি বাংলাদেশে ফিরে আসবো না। আমার ঠিকানা বাংলাদেশ। এখানের মানুষের কাছেই আমি থাকবো। আমাদের শক্তি বন্দুক-গুলি নয় আমাদের শক্তি জনগণ। এদেশের মাটি ও মানুষ আমরাই রক্ষা করবো।

এ সময় কারাগারে থাকা বিএনপির নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু, যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপি নেতা গাজী নুরুজ্জামান বাবুল, আবদুল ওহাব, আবুল খায়ের খাজা, যুবদল নেতা রফিকুল আলম মজনুসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জয় আমাদের হবেই। বাংলাদেশকে সম্মানের উঁচুস্থানে নিয়ে যাবো।

সভাপতির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে। দেশের মানুষ দুর্নীতিবাজদের আদালতের মুখোমুখি করবে। দেশে বেগম খালেদা জিয়াকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন হবে না। আগামী দিনে আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ২০১৮ সাল আওয়ামী লীগের বিদায়ের বছর। আগামী নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না। আমাদের নেত্রী সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে রূপরেখা দেবেন। বেগম খালেদা জিয়াকে মাদার অব ডেমোক্রেসি আখ্যা দিয়ে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, নেত্রী (খালেদা জিয়া) গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনও আপস করেন না। বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে। আজকের জনসভা জনসমুদ্রে রূপলাভ করার মধ্যদিয়ে সেটা প্রমাণ হয়েছে। শেখ হাসিনার আদালতের বাইরেও জনগণের আদালত রয়েছে। সেখানে আপনি যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর সঞ্চালনায় জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, বরকতউল্লাহ বুলু, মো. শাজাহান, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুনুর রশিদ, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মুন্সী বজলুল বাছিত আনজু, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ।

জনসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, অধ্যাপক এম এ মান্নান, মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, গিয়াস কাদের চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, মিজানুর রহমান মিনু, আবদুস সালাম, কবির মুরাদ, ভিপি জয়নাল আবেদীন, শাহজাদা মিয়া, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মজিবুর রহমান সারোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মাহবুবে রহমান শামীম, সাখাওয়াত হোসেন জীবন, বিলকিস জাহান শিরিন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক গৌতম চক্রবর্তী, আইন বিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নুরী আরা সাফা, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক শরাফত আলী সপু, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ফাওয়াজ হোসেন শুভ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক আশরাফ হোসনে উজ্জল, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, শরীফুল আলম, আবদুল আউয়াল খান, মাহবুবুল হক নান্নু, সেলিমুজ্জামান সেলিম, সহ তথ্য গবেষণা সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, সহশ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ, সহপ্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, আসাদুল করীম শাহিন, সহ সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসানউল্লাহ হাসান, সহত্রাণ ও পুনর্বাসন ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম মিলন, সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, সহগণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিমউদ্দিন আলম, শেখ রবিউল আলম রবি, অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, দেবাশীষ রায় মধু, সালাহ উদ্দিন ভূইয়া শিশির, ওবায়দুর রহমান চন্দন, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান, ড. মারুফ হোসেন, মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাই, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়্যেদুল আলম বাবুল, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, নরসিংদী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খান রিতা, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম শান্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এ জিন্নাহ কবির, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম তোফা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ হোসেন, নারায়ণগঞ্জ বিএনপি নেতা কাজী মনিরুজ্জামান, শাহ আলম, অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, এটিএম কামাল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার, ডা. মাজহারুল আলম, মুজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট নিপুণ রায়, বিএনপি নেতা অর্পনা রায়, রেহানা আখতার রানু, সাইফুল ইসলাম পটু, ভিপি হারুনুর রশীদ, শহীদুল আলম, নিলোফার চৌধুরী মনি, শাম্মী আখতার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজি আমিনুল ইসলাম, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, হেলিন জেরিন খান, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক মুন্না, মেহবুব মাছুম শান্ত, জাসাস সভাপতি অধ্যাপক মামুন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন রুকন, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম মিল্টন, সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা কামাল রিয়াদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল, যুবদল দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, মুক্তিযোদ্ধা দলের সহসভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান, গাজীপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ সোহরাব হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সবুজ, সুরুজ আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, হান্নান মিয়া হান্নু, মাহমুদ হাসান রাজু, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদারসহ কেন্দ্রীয়, ঢাকা মহানগর ও আশপাশের জেলার লাখ লাখ বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগন জনসভায় উপস্থিত ছিলেন। : পৌনে দুইটায় জনসভা শুরুর আগেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভাস্থল নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢলে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে শাহবাগ, রমনা পার্ক, সেগুনবাগিচা, প্রেসক্লাব চত্বরে উপচে পড়ে। ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ রাজধানীর আশপাশের জেলা ও মহানগর যেমন ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতাকর্মী এই জনসভায় যোগ দিয়েছেন। এছাড়াও কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, সিলেট, লক্ষ্মীপুর, নেত্রকোনা, নোয়াখালী, রাজশাহী, ফরিদপুর, বাগেরহাট, পাবনা, পটুয়াখালী, ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা এই জনসভায় যোগ দিয়েছেন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ছবি নিয়ে জনসভায় যোগ দেয়। এছাড়া ডেমরা থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদ, গাজীপুর থেকে ফজলুল হক মিলন, হাসান উদ্দিন সরকার, কাজী সাইদুল আলম বাবুল, নরসিংদী থেকে খায়রুল কবির খোকন, ঢাকা জেলা থেকে খন্দকার আবু আশফাক, মানিকগঞ্জ থেকে আফরোজা খান রিতা ও মঈনুল ইসলাম খান শান্তর, চট্টগ্রাম থেকে কাদের গনি চৌধুরীর নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী জনসভায় যোগ দেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, এই জনসভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে রাজধানীতে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয় সরকার। পুলিশ বিভিন্নস্থানে বেরিকেড দিয়ে পরিবহন ঘুরিয়ে দেয়। তল্লাশির নামে রাজধানীমুখী যানবাহনে আতংক সৃষ্টি করে। সরকারের অঘোষিত হরতালে পরিবহন বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়ে জনসাধারণ। পরিবহন বন্ধ করে দেয়ায় জনসভায় যোগ দিতে আসা নেতাকর্মীদের দূর-দূরান্ত থেকে হেঁটে আসতে হয়েছে। বিশেষ করে মোহাম্মদপুর, গাবতলী, মিরপুর, উত্তরা, কেরানীগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ থেকে জনসভাস্থলে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাজে ঘরের বাইরে বের হয়ে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।

জাসাসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাসাসের আয়োজনে সকাল থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

You May Find Also :

 

BNP Latest News Bangladesh : নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই এবারের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে – বেগম জিয়া

Today Bangla News Live

Today Bangla Paper News

Today Bangla Online Paper News

Today Bangladesh News Live

Today Bangladesh Paper News

Today Bangladesh Online Paper News

BNP Latest News Bangladesh

Bangladesh BNP Facebook

BNP Bangladesh News

Bangladesh BNP Live

Bangladesh Nationalist Party News

Khaleda Zia News

Khaleda Zia Bangladesh News

Share this Story
Load More Related Articles
Load More In প্রচ্ছদ

Facebook Comments

Check Also

BNP Latest News Bangladesh : নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিতে হবে, আমির খসরুর দাবী

BNP Latest News Bangladesh নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন দিতে ...

Like Us Facebook

6LdSXTIUAAAAACOI9d19qd6d7Cl5FnXpX6TuNvZS